Calcube Tab
Calcium + Magnecium + Zinc + Vitamin D3
Details
Tab Calcube Calcium + Magnecium + Zinc + Vitamin D3 15 Tab MRP= 225 Taka ; 30 Tab MRP= 450 Taka Benefit Of Calcium ক্যালসিয়াম শরীরের জন্য একটি অত্যাবশ্যকীয় খনিজ যা শক্তিশালী হাড় ও দাঁত গঠন, পেশীর সংকোচন, স্নায়ুর কার্যকারিতা এবং রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে । এটি হাড়ক্ষয় (ওস্টিওপোরোসিস) প্রতিরোধ করে, হৃদস্পন্দন স্বাভাবিক রাখে এবং শরীরের সামগ্রিক কাঠামো মজবুত রাখে । ক্যালসিয়ামের প্রধান উপকারিতা: মজবুত হাড় ও দাঁত: শরীরের ৯৯% ক্যালসিয়াম হাড় ও দাঁতে থাকে, যা এগুলোর গঠন ও শক্তি বজায় রাখে । পেশী ও স্নায়ুর কার্যকারিতা: পেশী সংকোচনে এবং নার্ভের মাধ্যমে শরীরের সংকেত আদান-প্রদানে ক্যালসিয়াম অপরিহার্য । হাড়ের ক্ষয় রোধ: বয়স বাড়ার সাথে সাথে হাড়ের ঘনত্ব কমে যাওয়া রোধ করে এবং অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধ করে । রক্ত জমাট বাঁধা: ইনজুরির সময় রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে, ফলে অতিরিক্ত রক্তপাত রোধ হয় । হৃদপিণ্ডের স্বাস্থ্য: হৃদস্পন্দন নিয়মিত রাখতে এবং পেশী নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে । Benifit Of Magnecium ম্যাগনেসিয়াম শরীরের ৩০০-রও বেশি জৈব রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অপরিহার্য ভূমিকা পালন করে, যা পেশী ও স্নায়ুর কার্যকারিতা সচল রাখে, হাড় শক্ত করে, রক্তচাপ ও গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং ভালো ঘুমে সহায়তা করে । এটি ক্লান্তি দূর করে, হৃদযন্ত্র সুস্থ রাখে এবং উদ্বেগ বা মাথাব্যথা কমাতে গুরুত্বপূর্ণ । ম্যাগনেসিয়ামের প্রধান উপকারিতাগুলো নিচে দেওয়া হলো: হাড়ের স্বাস্থ্য: ক্যালসিয়াম শোষণে সাহায্য করে হাড় মজবুত ও সুস্থ রাখে । পেশী ও স্নায়ুতন্ত্র: পেশীর সংকোচন-প্রসারণ ঠিক রাখে এবং স্নায়ুর সংকেত আদান-প্রদান উন্নত করে, ফলে পেশীর খিঁচুনি বা দুর্বলতা কমে । রক্তচাপ ও হৃদরোগ নিয়ন্ত্রণ: উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রেখে হৃদরোগের ঝুঁকি কমায় । ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ: ইনসুলিনের কার্যকারিতা বাড়িয়ে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে । ভালো ঘুম ও দুশ্চিন্তা মুক্তি: এটি মস্তিষ্কে আরামদায়ক প্রভাব ফেলে, যা অনিদ্রা দূর করতে এবং উদ্বেগ বা স্ট্রেস কমাতে সাহায্য করে । Benefit Of Zinc জিংক মানবদেহের জন্য একটি অপরিহার্য খনিজ উপাদান, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি, ক্ষত নিরাময়, কোষের বৃদ্ধি, ডিএনএ সংশ্লেষণ, স্বাদ ও গন্ধের অনুভূতি ঠিক রাখা এবং প্রজনন স্বাস্থ্যের উন্নতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ । এটি ৩০০-এর বেশি এনজাইমের কার্যকারিতা সমর্থন করে, চুল ও ত্বকের স্বাস্থ্য ভালো রাখে এবং ডায়রিয়া চিকিৎসায় সহায়ক ভূমিকা পালন করে । জিংকের প্রধান উপকারিতাগুলো নিচে দেওয়া হলো: রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি: জিংক শরীরের ইমিউন সিস্টেম বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করে, ফলে ঘন ঘন সংক্রমণ (যেমন: সর্দি-কাশি) থেকে রক্ষা পাওয়া যায় । ক্ষত নিরাময়: এটি শরীরের যেকোনো ঘা বা ক্ষত দ্রুত শুকাতে সাহায্য করে । কোষের বৃদ্ধি ও প্রজনন স্বাস্থ্য: কোষ বিভাজন, ডিএনএ এবং প্রোটিন তৈরিতে জিংক অপরিহার্য । এটি পুরুষ ও নারীদের প্রজনন হরমোন (যেমন টেস্টোস্টেরন) তৈরিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে । ত্বক ও চুলের স্বাস্থ্য: ব্রণ বা ত্বকের সমস্যা কমাতে এবং চুল পড়া রোধে জিংক বিশেষ ভূমিকা রাখে । শিশুর স্বাভাবিক বৃদ্ধি: গর্ভকাল, শৈশব এবং কৈশোরে সঠিক দৈহিক বৃদ্ধি ও মানসিক বিকাশের জন্য জিংক অত্যন্ত প্রয়োজনীয় । হজম ও বিপাক: এটি শরীরের হজম প্রক্রিয়া এবং এনজাইমের কার্যকারিতা বজায় রাখতে সাহায্য করে । ডায়রিয়া নিয়ন্ত্রণ: শিশুদের ডায়রিয়া চিকিৎসায় জিংক ট্যাবলেট বা সিরাপ অত্যন্ত কার্যকর । জিংকের ঘাটতির লক্ষণ: শরীরে জিংকের ঘাটতি হলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়া, ঘন ঘন সংক্রমণ, চুল পড়ে যাওয়া, ত্বকে র্যাশ বা ব্রণ, খাবারে অরুচি, ক্ষত শুকাতে দেরি হওয়া এবং শিশুদের শারীরিক বৃদ্ধি কমে যাওয়ার মতো লক্ষণ দেখা দিতে পারে শক্তি উৎপাদন: খাদ্য থেকে শক্তি উৎপাদনে এবং ডিএনএ (DNA) তৈরিতে সাহায্য করে Benefit Of Vitamin D3 ভিটামিন ডি৩ (Vitamin D3) বা কোলেক্যালসিফেরল হলো একটি ফ্যাট-দ্রবণীয় ভিটামিন, যা শরীরকে ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস শোষণে সাহায্য করে । এটি মজবুত হাড় ও দাঁত গঠন, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি, পেশীর কার্যকারিতা, মস্তিষ্কের সুস্থতা এবং মেজাজ (mood) ভালো রাখতে অপরিহার্য । সূর্যালোক হলো এর প্রধান উৎস । ভিটামিন ডি৩ এর প্রধান উপকারিতা: হাড় ও দাঁতের স্বাস্থ্য: এটি শরীরকে ক্যালসিয়াম শোষণে সহায়তা করে, যা হাড়ের ঘনত্ব বজায় রাখে এবং অস্টিওপোরোসিস (হাড় ক্ষয়) ও রিকেট রোগ প্রতিরোধ করে । রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি: ভিটামিন ডি৩ শরীরের ইমিউন সিস্টেম বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা উন্নত করে এবং ঘন ঘন সংক্রমণ প্রতিরোধে সাহায্য করে । পেশীর শক্তি: এটি পেশীর সঠিক কার্যকারিতা বজায় রাখতে এবং পেশীর দুর্বলতা কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে । মানসিক স্বাস্থ্য ও মস্তিষ্ক: এটি মস্তিষ্কের কার্যকারিতা উন্নত করতে এবং বিষণ্নতা বা মেজাজের পরিবর্তন নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে । হরমোন নিয়ন্ত্রণ ও ওজন ব্যবস্থাপনা: এটি শরীরকে ইনসুলিন সংবেদনশীলতা উন্নত করতে এবং হরমোন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে, যা ওজনের ভারসাম্য বজায় রাখতে ভূমিকা রাখে